কেন নারী’রা বেশি কথা বলে?

সাধারণত নারী’রা পুরুষদের তুলনায় অনেক বেশি কথা বলে। তাদেরকে খুব কম সময়েই চুপ থাকতে দেখা যায়৷ একটু খেয়াল করলে দেখবেন, বাসে দুজন পুরুষ পাশাপাশি বসলে তাদের মধ্যে খুব বেশি কথা বলা হয় না৷ কিন্তু যখন দুজন নারী পাশাপশি বসে, তারা পরিচিত হোক বা অপরিচিত, গোটা রাস্তা কথা বলতে বলতে যাবে।
একই ব্যাপার ঘটে রাস্তাঘাটে পরিচিত কারও সাথে দেখা হলে। পুরুষেরা ভালোমন্দ খোঁজখবর নিবে, তারপর বিদায় নিয়ে চলে যাবে। আর নারীদের কথা যেন শেষ হতেই চায় না৷

নারীদের এই বেশি কথা বলার স্বভাবকে অনেকে স্বাভাবিক ভাবে নেয় আবার অনেকে খারাপ অভ্যাস মনে করে। কিন্তু নারীদের এই বেশি কথা বলার স্বভাবের কারণ কি?

পুরুষের চেয়ে নারীর কণ্ঠনালি স্বাভাবিকভাবেই একটু উপরে অবস্থিত। ফলে তারা নীরব থাকলে তাদের কণ্ঠনালিতে সুড়সুড়ি লাগে আর কথা বলার সময়ে আরাম বোধ করে। অবশ্য এটা অবচেতনভাবে হয় বলে তারা বুঝতে পারে না৷
এছাড়াও নারীরা বেশিরভাগ সময়ই বাড়িতে থাকে। মানুষের সাথে কথা বলা আর পরিচিত হওয়ার সুযোগ পুরুষের তুলনায় কম তাদের৷ তাই কথা বলার মতো কাউকে পেলে স্বাভাবিকভাবেই একটু বেশি কথা বলে৷

[বিঃদ্রঃ সবাই এক নয়, কথা কম বলে এরকম নারীও আছে। এখানে বেশরিভাগ নারীদের কথা বলা হয়েছে।]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top